তারপর মিমি তার ভাইকে ধরে হাউ মাউ করে কান্না করে।ভাইয়ের চোখ দিয়ে ও ঝরে অজস্র জল।
,,,,,,
মিমি আর প্রাঙ্গনের ওই আবেগঘন কান্না দেখে পুরো হলরুমের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছিল। শাওন আলতো করে প্রাঙ্গনের কাঁধে হাত রাখে। অবশেষে চোখের জল আর নতুন জীবনের স্বপ্ন বুকে নিয়ে মিমি বিদায় নিল নিজের চেনা পরিবেশ থেকে।
মিমিকে আনা হয় শাওনদের ধানমন্ডির ফ্ল্যাটে।মিমি আসতে শাওনের মা আর ভাবিরা মিলে ওকে বরণ করে নিলো।পরিবারের সবাই অনেক ফ্রেন্ডলি হলেও নতুন পরিবেশে একটু অস্বস্তি হচ্ছিলো মিমির তাই পিরোটা সময় শাওন মিমির সাথেই ছিলো।কিন্তু এক পর্যায়ে ভাবিরা এসে মিমিকে নিয়ে যায় বাসর রাতের জন্য রেডি করতে।
মিমির একটু মন খারাপ হলো কারণ তৃধা,মুহসিনা কেউই তার সাথে আসেনি।
মূলত ফয়েজ আর সাদের একটা কাজ পরে গেছিলো তাই তারা একটু অফিসে যাওয়া লাগবে। ওই জন্য দুইজন দুইজনের বউকে নিয়ে বাসায় চলে গেছে।বিয়ে বাড়িতে এত ছেলের মাঝে নিজেদের বউকে রাখতে চায় না,তাই শাওন ও আর জোর করেনি,,,কারণ শাওন জানে দুইজন একবার যেহেতু বলে ফেলেছে বউদের নিয়ে যাবে তার মানে নিয়েই যাবে।
,,,,,
শাওনের রুমটাকে মিমির পছন্দের সাদা রজনীগন্ধা, তাজা লাল গোলাপ দিয়ে অপরূপ সাজে সাজানো হয়েছে। বিছানার ওপর ছড়ানো রয়েছে অজস্র ফুলের পাপড়ি, যেখান থেকে কাঁচা ফুলের মিষ্টি সুবাস ছড়িয়ে পড়ছে পুরো ঘরে।
মিমি খয়রি কালারের ভারী লেহেঙ্গা আর গা ভর্তি গহনা নিয়ে বিছানার ঠিক মাঝখানে গুটিসুটি মেরে বসে আছে। মাথার লাল ওড়নার ঘোমটায় মুখ ঢাকা। তার বুকের ভেতর তখন হাজারটা ড্রাম একসাথে বাজছে—লজ্জা, ভয় আর এক অদ্ভুত রোমাঞ্চে তার হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে আসছে।
কিছুক্ষণ পর শাওন রুমে ঢুকে দরজাটা আলতো করে লক করে দিল। সেই শব্দের সাথে সাথে মিমির হার্টবিট যেন দ্বিগুণ হয়ে গেল। শাওন পরনের শেরওয়ানিটা বদলে একটা আরামদায়ক গেঞ্জি পরে নিয়েছে।
সে ধীর পায়ে এগিয়ে এসে বিছানায় মিমির ঠিক সামনে বসল। মিমির হাতের কাঁপন দেখে সে আলতো করে মিমির দুটি হাত নিজের শক্ত আর উষ্ণ হাতের মুঠোয় তুলে নিল।
শাওন পরম যত্নে মিমির লাল ওড়নার ঘোমটাটা সরিয়ে দিতেই লাইটের হালকা আলোয় মিমির লজ্জাবনত, স্বর্গীয় মুখটা ভেসে উঠল।
শাওন মন্ত্রমুগ্ধের মতো কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে মিমির কপালে আলতো করে নিজের ঠোঁট ছুঁইয়ে দিল। সেই উষ্ণ ছোঁয়ায় মিমির সব ভয় যেন এক মুহূর্তে কর্পূরের মতো উড়ে গেল।
শাওন মিমির চোখের দিকে তাকিয়ে গভীর ও মৃদু কণ্ঠে বলল,
"কতটা রাত শুধু এই মুহূর্তটার অপেক্ষা করেছি, তুমি জানো মুন? আজ থেকে তুমি শুধু আমার, আমার অর্ধাঙ্গিনী। "
মিমি শাওনের চোখের দিকে তাকিয়ে সব লজ্জা ভুলে এক চিলতে হাসল এবং আলতো করে শাওনের বুকে মাথা লুকিয়ে মৃদু স্বরে বলল,
"আর আপনি শুধুই আমার,শাওন।"
মিমির মুখে এমন কথা শুনে শাওন হালকা হাসে।তারপর মিমির মুখটা নিজের মুখের সামনে এনে কপালে কপাল ঠেকায়।তারপর আস্তে আস্তে শাওনের ছোঁয়া গুলো গভীর হতে থাকে।মিমি ক্ষণে ক্ষণে কেঁপে উঠে। শাওনের পুরুষালী গভীর ছোঁয়া ফেতেই
মিমি একটু কান্না করে দেয়।
সে কান্না কোনো কষ্টের না,সে কান্নায় ছিলো সুখের আমেজ।
মিমির কান্নার শব্দ টা শাওনের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিল।
বাইরে তখন রাতের মৃদু হাওয়া বইছে, আর রুমের ভেতরে দুই হৃদয়ের এতদিনের না বলা সব আকুলতা, দীর্ঘশ্বাস আর সারাজীবন একসাথে থাকার প্রতিশ্রুতি মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল।
,,,,,,,,
এই দিকে তৃধা মন খারাপ করে রুমে বসে আছে।
সে চেয়ে ছিলো মিমির সাথে যেতে কিন্তু ফয়েজ যেতে দেয় নি।সেটা নিয়ে রাগ করে ফয়েজর সাথে এখন পর্যন্ত একটা কথাও বলেনি।
হঠাৎ তৃধার মাথায় একটা বুদ্ধি এলো
আজকে সে ফয়েজকে শাস্তি দিবে তার কথা না শুনার জন্য,,তাই আর দেরি না করে নিজের দুষ্টু বুদ্ধি দিয়ে দুষ্টু একটা আইডিয়া বানিয়ে ফেলল।
নিজের আইডিয়ার কথা মনে আসতে তার নিজেরই হাসি পাচ্ছে।
রাত ১২টা ৫৪ মিনিট
ফয়েজ এসে বাসার বেল বাজায়, কয়েক সেকেন্ড এর মাঝে তৃধা এসে দরজা খুলে দেয়।ফয়েজ একটু অবাক হয় এত তাড়াতাড়ি দরজা খুলতে দেখে।তারপর তৃধাকে উদ্দেশ্য করে বলে
" নিচে কি করছ?''
"আপনি কিভাবে বুঝলেন আমি নিচে ছিলাম? ''
" তোমার দরজা খোলার গতি দেখেই বুঝেছি"
" ওও,আচ্ছা তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে আসুন,,আপনার জন্য খাওয়ার রেডি করছি"
" তুমি খেয়েছ?''
" হুম খেয়ে ফেলেছি,,,,আমার একটা কাজ আছে এখন,,তাই তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলেছি"
ফয়েজ তৃধার কথা শুনে একটু অবাক হয়,,কারণ আজ পর্যন্ত তৃধা কখনো ওকে ছাড়া রাতের খাবার খায়নি,,আজকে এমন কি কাজ করবে যে তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলেছে।
তৃধাকে আর কিছু না বলে নিজের রুমের দিকে চলে যায়।
তৃধা ফয়েজের জন্য খাবার রেডি করে রুমে চলে আসে।ফয়েজ তৃধাকে দেখে বলে
" তুমি না খাওয়ার রেডি করছ?''
" রেডি করে রেখে এসেছি আপনি খেয়ে আসুন"
ফয়েজ চোখ ছোট ছোট করে বলে উঠে
'' কি এমন কাজ করবা যে,আমি খাওয়ার খাওয়া পর্যন্ত আমার পাশে দাড়াতেও পারবে না"
" অনেক বড় কাজ,যেটা এখন আপনাকে বলা যাবে না"
এইবার ফয়েজ ও আর কিছু না বলে নিচে চলে যায় খাবার খেতে।
ফয়েজের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে তৃধা দুষ্টু একটা হাসি দেয় তারপর নিজের দুষ্টু আইডিয়া অনুসারে কাজ শুরু করে।
ফয়েজের খাওয়া প্রায় শেষ তখনই তৃধা উপর থেকে ডেকে বলে
"শুনছেন,,আপনার জন্য কফি বানিয়ে রেখেছি টেবিলের উপর ওইটা খেয়ে নিয়েন"
ফয়েজ তৃধার এমন আজব কাজ কারবারে একটু অবাক হয়,তাও কিছু বলে না।কারণ আজকে জোর করে বিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে আসছে।এখন কিছু বললে যদি আবার মন খারাপ করে।
ফয়েজ খাওয়ার শেষ করে
,সব কিছু ঠিক ঠাক করে গুছিয়ে কফির কাপ টা হাতে নিয়ে আস্তে আস্তে খাওয়া শুরু করে। কিন্তু আজকে কপির টেস্ট টাও একটু অন্য রকম,, আর একটু মিষ্টি মিষ্টি।
কফি খাওয়া শেষ হতেই ফয়েজ অনুভব করল তার শরীর টা কেমন গরম হয়ে যাচ্ছে আর ক্রমে উত্তেজিত হয়ে পরছে।
বিচক্ষণ ফয়েজ এক নিমিষেই বুঝে গেল তৃধা কফিতে কিছু মিশিয়েছে।
তাই গমগম পায়ে হেঁটে নিজের রুমে গিয়ে আরও বড় একটা ঝটকা খেল। তৃধা নেটের একটা কালো শাড়ী পরেছে সাথে কালো কালারের স্লিভলেস ব্লাউজ, গায়ে কোনো গহনা নেই শুধু দুই হাতে দুইটা চুড়ি।ঠোঁট গাড় খয়রি লিপস্টিক। শাড়ীর আঁচল টা সুন্দর করে ভাজ করে কাঁধে তুলে ফেলেছে ফলস্বরূপ ধবধবে ফর্সা পেটের এক অংশ পুরো দেখা যাচ্ছে। আর স্লিভলেস ব্লাউজ পরার কারণে দুই হাত পুরোপুরি উম্মুক্ত।
ফয়েজ তৃধাকে দেখে শুষ্ক ঢোক গিলে বলে
" কফিতে কি মিশিয়েছ?"
তৃধা দুষ্টু একটা হাসি দিয়ে ফয়েজের কাছে এগিয়ে যায় তারপর ফয়েজ কে টেনে এনে খাটে বসায়।
এইদিকে ফয়েজের নাজেহাল অবস্থা,একেত তৃধার এমন রূপ সাথে তৃধা কি খাইয়েছে তার প্রভাব,,,,
ফয়েজ নিশ্বাস ভারি হয়ে আসে।ফয়েজ বসা থেকে উঠে এক পা এক পা করে তৃধার দিকে আগাতে থাকে।
তৃধা এটা দেখে দরজার দিকে দৌড় দিয়ে হাসতে হাসতে বলে
" আপনার কফিতে tabs চকলেট মিশিয়েছি।"
ফয়েজ জোরে করে বলে উঠে
" হোয়াট,, মরতে চাও নাকি?"
" না না মরবো কেন।এটা তো আপনার শাস্তি, আজকে যে আমার কথা শুনেন নাই।তাই এই শাস্তি টা দিলাম।এই হট এন্ড রোমান্টিক মুডে ঘরে বউ থাকার পর ও বউকে কাছে পাবেন না।"
"কে বলছে বউ পাবো না"
এই কথা বলে ফয়েজ ও তৃধার পিছনে দৌড় দেয় তৃধাকে ধরার জন্য।
তৃধা ফয়েজকে দৌড়াতে দেখে নিজের দৌঁড়ানোর গতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।লক্ষ্য নিচের তালায় গেস্ট রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে আজকে সারারাত সেখানে থাকা।
কিন্তু তৃধার মতো একটা মেয়ে কি ফয়েজের মতো একজন আর্মি অফিসারের সাথে দৌড়ে পারবে।
তাই যা হওয়ার তাই হলো তৃধা রুমে ঢুকতেই যাবে তখনই ফয়েজ তৃধার হাত টেনে নিজের কাছে টেনে নেয়।এটা দেখে ভয়ে তৃধার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।
কারণ তৃধা অন্য সময় গুলোতে ফয়েজ কে সামলাতে হিমশিম খায়।এখন তো ফয়েজের রোমান্টিক মুড সাথে tabs চকলেটের পাওয়ার দুইটা একসাথ হয়ে গেছে। তার মানে তো এখন তার উপর ভয়ংকর ভূমিকম্প যাবে সেটা তৃধা এতক্ষণে বুঝে গেছে।
ফয়েজ এক ঝটকায় তৃধাকে কোলে তুলে নেয়।এইদিকে তৃধা এতক্ষণে কান্না করে দিয়েছে।আর ফয়েজের হাত থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য মোচড়ামুচড়ি শুরু করে দিয়েছে।ফয়েজ সিড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে বলবে
" এত মোচড়ামুচড়ি কর না,শুধু শুধু এনার্জি লস হবে। তার থেকে ভালো এই এনার্জি জমিয়ে রাখ ২ মিনিট পর কাজে আসবে"
তৃধা কান্না করতে করতে বলে
"প্লিজ আমাকে ছেড়ে দিন,,,আর কখনো এমন হবে না,,,,,,প্রমিস করছি"
" নো বেবি,,,এখন ছাড়া যাবে না,,,,পরেরটা না হয় পরে দেখবো"
" প্লিজ ছেড়ে দিন,,,,না হয় আমি আজকে মরেই যাবো"
"সেটা তোমার আগে ভাবা উচিত ছিলো না? এত চালাকি করতে গেছ কেন?"
তৃধা আর কিছু বলে না শুধু কান্না করতে থাকে কারণ সে বুঝে গেছে ফয়েজ এখন তাকে ছাড়বে না।নিজের উপর ভীষণ রাগ হলো তৃধার, কেন যে সে নিজের পায়ে নিজের কুড়াল মারতে গেল।
তৃধার ভাবনার মাঝে ফয়েজ তৃধাকে নিয়ে রুমে চলে এসেছে।
তারপর তৃধাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে রুমি লাইট অফ করে দেয়।
তারপর শুরু হয় তৃধার ছোট দেহের উপর ফয়েজের আধিপত্য বিস্তার।
প্রথমে ফয়েজ তৃধার পুরো শাড়ি টা খুলে ছুড়ে মারে মেঝেতে।
আজকে আর ফয়েজ কাঁথা ও গায়ে জড়ায়নি ফলস্বরূপ তৃধা আরও একটু বিচলিত হয়ে পরে।
তৃধা আলতো করে বলে উঠে
"কাঁথাটা নাও"
তৃধার মুখে তুমি সূচক শব্দ শুনে ফয়েজ ঠোঁট কামড়ে হালকা হাসে তারপর বলে
" প্রয়োজন নেই"
তৃধা কিছু বলতে যাবে তার আগে ফয়েজ তৃধার ঠোঁট দখল করে নেয়,,প্রথম অবস্থা ফয়েজ ঠোঁট চুষলে ও আস্তে আস্তে সে চোষাটা কামড়ে রূপ নেয়।
ঠোঁট ছাড়িয়ে ফয়েজ ঘাড়ে কামড় বসায়।তৃধা ব্যাথায় চোখ মুখ খিঁচে ফেলে।
ফয়েজ মুখ যখন ঘাড় ছাড়িয়ে বুকের নরম মাংসপিণ্ড চোষা শুরু করে আর আস্তে আস্তে কামড় দিতে শুরু করে তখন তৃধা পুনরায় মোচড়ামুচড়ি শুরু করে। যার ফলে ফয়েজ একটু বিরক্ত তারপর গম্ভীর স্বরে বলে
" জান ডিস্টার্ব করো না।যদি আর একবার ডিস্টার্ব কর তাহলে আরও জোরে কামড় দিবে।"
তৃধাও ভয়ে আর কিছু বলে না।
ফয়েজের এই গভীর ছোঁয়া থেকে নিজেকে বাঁচাতে না পেরে অবশেষে তৃধা হাল ছেড়ে দিয়ে ফয়েজের চুল গুলো খামচে ধরে।
তৃধার ফয়েজের চুল খামচে ধরার বিষয় টা ফয়েজ কে আরও উত্তেজিত করে ফেলে।
হঠাৎ ফয়েজের আকস্মিক পুরুষালী ধাক্কায়
তৃধা " ওমাগো" বলে চিৎকার করে উঠে।
এই ধাক্কার গুলো তৃধাকে প্রতিরাতেই সহ্য করতে হয়, কিন্তু আজকের ধাক্কাটা এত জোরে ছিল যে তৃধা আর সহ্য করতে না ফেরে চিৎকার দিয়ে উঠে।
তারপর কান্না করতে করতে বলে
" প্লিজ আস্তে করুন না"
ফয়েজ নেশালো গলায় বলল
" আস্তে করার মতো পরিস্থিতিতে তুমি রেখেছ?"
পরপর কয়েকবার শারীরিক মিলনের পর তৃধা যখন ক্লান্ত হয়ে ফয়েজকে বলল
" প্লিজ আর না"
এইবার ফয়েজ একটু শান্ত স্বরে বলল
" প্লিজ জান,,আর এক বার"
ফয়েজের এমন আকুল গলায় শুনে তৃধার এত ক্লান্ত থাকার পরও আর নিষেধ করে না ফয়েজকে।
,,
ফয়েজ নিজের কথা মতো আর একবার ই*ন্টি*মেট হওয়ার পর তৃধাকে ছেড়ে দেয়।
তৃধার শরীরের অবস্থা তখন অনেক নাজেহাল। এটা দেখে ফয়েজ তৃধাকে একটা ঔষধ খাইয়ে দেয়।তারপর নিজের বুকের উপরে তৃধার মাথা রেখে, তৃধার মাথায় হাত বুলিয়ে তৃধাকে ঘুম পাড়িয়ে দেয়।

0 Comments