অপেক্ষার_নীল_আলো

 

অপেক্ষার_নীল_আলো


আজকে আপনার মন খারাপ নাকি,,?
মাহিরা বলে, এমন মনে হওয়ার কারণ কি..?
জয় বলে না প্রতিদিন তো অনেক বকবক করেন আর আজকে চুপচাপ।
মাহিরা মুচকি হেসে বলে, আমি চুপচাপ থাকলে কি তোমার কষ্ট হয় বেবি।
জয় রাগ করে বলে আপনাকে নাহ আমি বলেছিলাম,আমাকে এগুলা নামে ডাকবেন না।
মাহিরা বলে, আমি যদি বলি তুমি কি করবা।
জয় মেসেজ এর রিপ্লাই দেয় না, চুপচাপ।
মাহিরা বলে কি হলো মিস্টার।
জয় উত্তর দেয়, কিছু না।
জয় হঠাৎ অনুভব করে এই মেয়েটার প্রতি সে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, মেয়েটা মেসেজ না দিলে আজকাল দিশেহারা লাগে। একটা মেসেজ পেলে হঠাৎ মন ভালো হয়ে যায়। মেয়েটা শুধু আমাকে আকর্ষণ করে।
জয়" মাহিরাকে মেসেজ দেয়,কি করো।
মাহিরা বলে, এই তো ছাদে দাঁড়িয়ে আপনার কথা ভাবছি। মাহিরা জয় এর কথায় বুঝতে পারে, জয় মাহিরার প্রতি দুর্বল হচ্ছে।
মাহিরা এই আনন্দে দৌড়ে রুমে গিয়ে আয়নার সামনে নাচতে শুরু করে।
মাহিরাকে অফলাইনে যাওয়া দেখে জয়ও অফলাইনে যায়।
জয় রুমে একা বসে ছিলো ""হঠাৎ জুহানা আসে।
জুহানা জয় কে ধাক্কা দিয়ে বলে তাত্তু তুমি কি তরো।
জয় বলে এই তো বসে আছি আম্মু।
জুহানা বলে তাত্তু চলো পিত( পিক) তুলি।
জয় তার মোবাইল দেয় জুহানা ভিডিও করতে শুরু করে।
জুহানার আনন্দ দেখে জয়ও অনেক খুশি হয়। মনটা অনেক হালকা লাগছে।
জুহানা জয়কে বলে, তাত্তু তলো না আতকে ঘুরতে যাই।
জয় বলে,আচ্ছা আম্মু বিকেলে তোমার আম্মুকে বইলো তোমাকে যেন সাজিয়ে দেয়।
ওকে তাত্তু বলে জুহানা চলে যায়।
বিকেল বেলা..
জয় রেডি হয়ে জুহানাকে ডাকে, জুহানা ছোট ছোট পায়ে জয় এর দিকে এদিকে আসে, জয় জুহানাকে কোলে করে বাড়ির বাহিরে বের হয়।
বাহিরে গিকে বাইক এ করে জুহানাকে নিয়ে ঘুরতে যায়।
জুহানা রাস্তার পাশে আইসক্রিম দেখে, হাত দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে বলে তাত্তু আইচকিম তাবো।
জয় জুহানা কে আইসক্রিম কিনে দেয়,
সন্ধ্যা হওয়ার আগেই বাসায় ফিরে আসে।
জয় জুহানা কে বলে, আম্মু সন্ধ্যা হয়েছে এখন পড়তে বসো, পড়তে না বসলে ঘুরতে নিয়ে আর যাবো না।
জুহানা বলে, ওতে তাত্তু।
রাত ৯ টার দিকে, হঠাৎ জয় এর ফোনে একটা মেসেজ আসে।
কি করো জান
জয় এইবার বিরক্ত না হয়ে, উত্তর দেয়, এই তো বসে আছি।
আপনি..?
তেমন কিছু না আব্বু আম্মুর সাথে একটু আড্ডা দিলাম।
জয় বলে, আচ্ছা থাকেন আমি ডিনার করবো। পরে কথা হবে।
জয় ডিনার করতে যায় এই দিকে মাহিরা ঘুমিয়ে পরে।
জয় এর বাবা সাইফুল চৌধুরী জয় কে বলে,
জব করতে তোমার কেমন লাগছে..?
তখন আরিয়ান উত্তর দেয়, ওয় যে রাগি বাবা, স্টুডেন্টরা ভয়ে থাকে খুব।
জয় রাগি চোখে আরিয়ানের দিকে তাকায়, আরিয়ান চুপ হয়ে যায়।
জয় বলে, আলহামদুলিল্লাহ ভালোই হচ্ছে বাবা।
সাইফুল চৌধুরী বলে,ভালো হলেই তো ভালো।
সবসময় রাগারাগি করো না এই অভ্যাস ভালো না।
জয় মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানায়।
জয় রুমে আসে, হঠাৎ জয় এর মা জয় এর রুমে এসে জয় কে বলে, কালকে তোর জন্য একটা মেয়ে দেখতে যাবো।
জয় এর মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরে। জয় নিস্তব্ধ হয়ে যায় কিন্তু মুহূর্তের জন্য ।
জয় এর মা জয় কে বলে কি হলো কথা বলছিস না কেন..?
জয় বলে আসলে আম্মু আমি এখন বিয়ে করতে চাই না।
জয় এর আম্মু , আমি এগুলা শুনতে চাই না, আমার বান্ধবীর মেয়ের সাথে তোকে বিয়ে দিবো এটাই ফাইনাল ডিসিশন আমার।
জয় বাধ্য হয়ে মেয়ে দেখতে যায়।
একটু পরে একটা মেয়ে মাথায় ঘোমটা দিয়ে রুমে আসে।
জয় এর আম্মু বলে, মাথা থেকে একটু ঘোমটা সরাও মা।
মেয়েটির মুখের দিকে তাকিয়ে দেখে জয় অবাক হয়ে যায়। কি বলবে বুঝতে পারছে না। হঠাৎ জয় বলে উঠে তুমি...

Post a Comment

0 Comments