বিষাদে মোড়ানো দুপুর। চারদিকে কেমন গুমোট ভাব। চতুর্দিক ঝিমিয়ে পড়েছে দুপুরের বিষণ্ণতায়। ভ্যাবসা গরমে জনজীবন বিপন্ন। একটু শীতল হাওয়ার আশায় প্রতিনিয়ত চাতক পাখির ছটফট করে চলছে মানব হৃদযন্ত্র। শীতল হাওয়ার আদুরে স্পর্শে যেখানে জুড়িয়ে যায় মানব কায়া, শান্ত হয় হৃদয় সেখানে শীতল হাওয়ায় বসেও অশান্ত হয়ে রয়েছে কিশোরী হৃদয়। প্রাণ জুড়িয়ে দেওয়া শীতল হাওয়াও মিষ্টি নামক কিশোরীর মন জুড়াতে অক্ষম। অস্থির হয়ে রয়েছে কিশোরীর সমস্ত কায়া। কোনো ভাবেই অশান্ত মনকে শান্ত করতে পারছে না। আর না পারছে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে। প্ৰিয় মানুষটার ধোঁকা যেমন মেনে নিতে পারছে না তেমনই ভাবে তাকে ভুলে যেতেও পারছে না। বেহায়া মনে বারবার স্মরণ হচ্ছে অতীতের সুন্দর স্মৃতিগুলো। দুজনের মিষ্টি মধুর কথোপকথন, আবেগ জড়ানো সকল স্মৃতি আনমনে ধরা দিচ্ছে মিষ্টির কল্পনায়। স্মৃতিরা যে বড্ড পীড়া দিচ্ছে। কি করবে মিষ্টি? মানুষটাকে ছাড়া যে তার চলছে না। আবার তার এরূপ ধোঁকা মেনেও নিতে পারছে না। সব কিছু কেমন যেন বিষাদময় লাগছে।
মিষ্টি যখন আপন ভাবনায় মত্ত সে সময় নিশ্চুপে তার পেছনে এসে দাঁড়ালো আনহা। সেদিনের ঘটনার পর পেরিয়ে গেছে চারটে দিন। বিগত চারদিনের মিষ্টি না ঠিক মতো খেয়েছে, না ঘুমিয়েছে। আর না নিজের যত্নও নিয়েছে। সব কিছুতেই তার গাঁ ছাড়া ভাব। ঠিক মতো খাবার না খাওয়ার ফল স্বরূপ চোখ-মুখও কেমন শুকিয়ে গেছে। না ঘুমানোর ফলে চোখের তোলায় পড়েছে কালি। আনহার খারাপ লাগছে।
"দুপুরের খাবার না খেয়ে এখানে কি করছিস? খেতে আয়।"
মিষ্টির ভাবনার সুতো ছিড়লো। ঘাড় ঘুরিয়ে পেছনে তাকালো। আনহাকে দেখে কিছুটা অবাক হলো। তবে তা বুঝতে দিলো না। সবাই দুপুরের খাবার খেয়ে ভাত ঘুম দিয়েছে সেই ফাঁকে পুকুর ঘাটে এসে বসেছে মিষ্টি। আনহাকে একবার দেখে নিয়ে পুনরায় মুখ ঘুরিয়ে নিলো। তবে কোনো জবাব দিলো না। সেদিনের ঘটনার পর মিষ্টি একবারও আনহার সাথে কথা বলেনি। আনহা বহু বার বহু ভাবে চেষ্টা করেছে কথা বলার তবে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিবার। ইশা, ফারিহা দুজন অনেক বুঝিয়েছে তাও কোনো লাভ হয়নি। নিজের সিদ্ধান্তে অটল মিষ্টি। আনহা পুনরায় বলল,
"কি হলো? কথা কানে যায় নি? খেতে আসবি নাকি তোর ভাইকে ফোন করবো? ফোন করে বলবো তার বোন এখনো দুপুরের খাবার খায়নি? সেটা ভালো হবে?"
তবুও কোনো জবাব এলো না। হতাশ হলো আনহা। মেয়েটা ইদানিং বড্ড জেদি হয়েছে। কই এর আগে তো এমন জেদ কখনো করেনি? আগের চঞ্চল মিষ্টি ধীরে ধীরে কেমন হারিয়ে যাচ্ছে। জেদি হচ্ছে। বদলে যাচ্ছে মিষ্টি। এই ঘটনার পূর্বে কখনো এমন হয়নি যে মিষ্টি রাগ করে তাদের সাথে কথা বলেনি। ফারিহা, ইশার সাথে মাঝে মাঝে টুকটাক কথা কাটাকাটি হলেও তা ছিলো কিছুক্ষনের জন্য। বেশি হলে এক দিন। এর বেশি সময় ধরে কখনোই তাদের মান-অভিমান টিকেনি। সেখানে আজ চারদিন হতে চলল মিষ্টি আনহার সাথে কথা বলছে না। এমনকি তাকাচ্ছে না অবধি। হতাশ হলেও হাল ছেড়ে দিলো না আনহা। দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
"খেতে আয় মিষ্টি। বিকেল হয়ে যাচ্ছে। এভাবে অনিয়ম করলে অসুস্থ হয়ে যাবি।"
শান্ত গলায় জবাব এলো,
"খিদে নেই আমার।"
নরম চোখে তাকালো আনহা। সে ভালো করেই জানে মিষ্টি ইচ্ছে করে খাবে না। ইদানিং বড্ড হেলাফেলা করছে খাওয়া নিয়ে। সে যে ভালো ভালো নেই তা বুঝতে পারে আনহা। যতোই হোক বন্ধু তো নাকি! বন্ধুর কষ্ট তো একটু হলেও উপলব্ধি করতে পারে সে। একদিকে যেমন বন্ধু তেমন অপরদিকে বোনও। দুদিকটাই দেখতে হয় তাকে। মিষ্টির দিক থেকে দেখতে গেলে তেহজীব দোষী। আবার তেহজীবের অবস্থান থেকে দেখলে সেও যে ভুল এমনটা নয়। তবে এখানে তেহজীবের একটাই ভুল ছিলো তা হলো ধরা পরে যাওয়ার পরেওই অনবরত মিথ্যা বলাটা। সে এরকম না করলে হয়তো মিষ্টি আরো বেশি ক্ষেপতো না। আর না পরিস্থিতি এতটা প্রতিকূলে যেত তেহজীবই বা কি করবে সেই সময় হটকারিতায় যা মনে এসেছে তাই করেছে। এখানে দুজনের কারোরই ভুল নেই। ভুল কেবল সময়ের। সময় দুজনকে এমন সময় মুখোমুখি করেছে যে দুজন মিলে যাওয়ার বদলে তাদের মাঝে ভুল বোঝা বুঝি তৈরি হয়েছে। আনহা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। মিষ্টি তখনও এক দৃষ্টে দূর আকাশের পানে স্থির নয়নে চেয়ে আছে। চাহনির সামান্য হেরফের নেই। আনহা আলগোছে মিষ্টির পাশে বসলো। অতঃপর নরম গলায় বলল,
"কেন এমন করছিস মিষ্টি? নিজেও কষ্ট পাচ্ছিস সাথে ভাইয়াকেও কষ্ট দিচ্ছিস। কি দরকার এগুলোর?"
"কে বলেছে আমি কষ্ট পাচ্ছি? একদম ঠিক আছি আমি। ভালো আছি।"
"কতোটা ভালো আছিস তার নমুনা তো দেখতেই পাচ্ছি। ঠিক মতো খাচ্ছিস না, ঘুমাচ্ছিস না। চোখ-মুখের ক হাল করেছিস দেখেছিস?"
"আমাকে নিয়ে তোর এতো ভাবতে হবে না।"
"একশো বার ভাববো। যেমন তু্ই আমার বন্ধু তেমন ভাইয়াও আমার ভাই। আমার দুজনের দিকই দেখা উচিত।"
"তো দেখ মানা করেছে কে? দেখতে থাক। যত খুশি।"
মিষ্টির তেড়া তেড়া উত্তর। আনহা হতাশ হলো। মেয়ে ভাঙবে তবু মচকাবে না। এদিকে তার বিরহে পুড়ছে অথচ স্বীকার করবে না। একদম ভাইয়ের মতো হয়েছে। ভাইটা যেমন ওকে জ্বালিয়েছে তেমন বোন জ্বালাচ্ছে ওর সহজ-সরল ভাইটাকে। আহারে তার ভোলা-ভালা ভাইটা! দুদিকে মাথা নেড়ে উল্টোপাল্টা ভাবনা গুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিলো আনহা। অতঃপর বলল,
"একটা বার ভাইয়ার সাথে কথা বল প্লিজ। ভাইয়া চাতক পাখির ন্যায় ছটফট করছে একটা বার তোর সাথে কথা বলার জন্য।"
"ছটফট করুক তাতে আমার কি?"
"তোর কিছু না?"
মিষ্টির কাটকাট গলায় জবাব,
"না।"
আনহা বলল,
"তোর যদি কিছুই না হয় তাহলে খাচ্ছিস না কেন? পেঁচার মতো রাগ জাগছিস কি জন্য? এতো কিসের বিষণ্ণতা? তোর তো আরো খুশি হওয়ার কথা।"
থতমত খেয়ে গেল মিষ্টি। সে যে ধরা পরে গেছে তা বুঝলো। তবে আনহাকে বুঝতে দিলো না। নিজেকে স্বাভাবিক রেখে জবাব দিলো,
"যথেষ্ট খুশি আছি আমি।"
"তার নমুনা তো দেখতেই পাচ্ছি।"
বিপরীতে মিষ্টি জবাব দিলো না। নীরবে কেটে গেল মিনিট দুই। আনহা আগ বাড়িয়ে বলল,
"এরকম করিস না মিষ্টি। নিজেদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি না বাড়িয়ে মিটমাট করে ফেল। খালামণিরা সেই কবে চলে গেছে। অথচ সব কাজ ফেলে শুধু মাত্র তোর জন্য ভাইয়া রয়েছে গেছে।".
"তাকে থাকতে বলিনি আমি। চলে যাক সে।"
"ভুল বোঝাবুঝি না মিটিয়ে ভাইয়া ফিরবে না।"
"তাহলে বসে থাকতে বল। যতদিন ইচ্ছে থাকুক।"
কথা শেষ করে মিষ্টি উঠে চলে যেতে নিলো। পেছনে থেকে আনহা বলে উঠলো,
"এমন করছিস কেন মিষ্টি? একটু বোঝার চেষ্টা কর। শেষ একটা একটা সুযোগ তো দে। এভাবে দুজনের কেউই ভালো থাকবি না উল্টো দুজন দু জায়গায় বসে কষ্ট পাবি। তারচেয়ে ভালো মিটমাট করেনে। আমি চাই তোরা ভালো থাক। তোদের এই অবস্থা আমি আর নিতে পারছি না। মাঝে মাঝে নিজেকেই দোষী মনে হয়। না আমি তোকে ডেয়ার দিতাম। না তোদের পরিচয় হতো। আর না আজকের এই পরিস্থিতি তৈরি হতো। সব দোষ আমার।"
মিষ্টি শুনলো তবে দাঁড়ালো না। বড় বড় পা ফেলে চলে গেল। আনহা হতাশাগ্রস্ত নয়নে চেয়ে রইলো তার যাওয়ার পানে।
কেটে গেছে আরো দুটো দিন। দেখতে দেখতে সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। তবে মিষ্টির অভিমান একটুও কমেনি। বিগত দিন গুলোতে তেহজীব কম চেষ্টা তো করেনি। যতভাবে চেষ্টা করা যায় ততো উপায় অবলম্বন করেছে তবে ফলাফল শূন্য। তেহজীবকে সব জায়গা থেকে ব্লক করে রেখেছে। এমনকি এই পর্যন্ত বিভিন্ন মানুষের ফোন থেকে কল করেছে তেহজীব। কল রিসিভ হতো। অতঃপর তার কণ্ঠ শুনা মাত্র কল কেটে যেত। অতঃপর ব্লক লিস্টে জায়গা হতো। প্রথম প্রথম কল রিসিভ হলেও পরে সেই রাস্তায় বন্ধ হয়ে গেল। এরপর থেকে আননোন নাম্বার দেখলে মিষ্টি কল রিসিভ করতো না। এভাবেই পেরিয়ে গেছে সপ্তাহ।
তেহজীবের অবস্থা খুব একটা ভালো না। ওকে দেখলে মনে হবে ছ্যাকা খেয়ে ব্যাকা হয়ে গেছে। চোখ মুখ শুকিয়ে গেছে। চোখের তলায় পড়েছে কালি। চুল গুলোও উস্কখুস্ক। চাপ দাঁড়ি বেড়ে গেছে। এক কথায় বলতে গেলে দেবদাস হয়ে গেছে ছেলেটা।
আনহা ওদের বাড়িতে এসেছে তেহজীবের সাথে দেখা করতে। তাকে জানাতে যে মিষ্টির মন কিছুতেই গলবে না। এসে তেহজীবের এই রূপ দেখে হতোভম্ব হয়ে গেল। নিজের কি হাল করেছে ছেলেটা! চমকিত গলায় বলল,
"একি হাল করেছো নিজের?"
আনহার পিছু পিছু তার মাও এসেছে। তিনি বললেন,
"আর বলিস না। ঠিক মতো খায় না, সারাদিন কই যে থাকে কে জানে! কয়দিনে কি হাল করেছে দেখেছিস? আপা জানলে কি ভাববে? মনে করবে আমি তার ছেলের যত্নই নেই নি।"
"কিছু ভাববে না আম্মু। তুমি নিশ্চিন্তে থাকো খালামনি।"
আনহার মা কিছু বলতে গেলে আনহা তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন,
"আচ্ছা আম্মু তুমি টেনশন নিও না। আমি দেখছি।"
আনহা ধীর পায়ে এগিয়ে গেল তেহজীবের কাছে। কাছে যেয়ে বসলো। অতঃপর বলল,
"কি শুরু করেছো ভাইয়া? নিজের একি হাল করেছো? আয়নায় একবার নিজেকে দেখেছো? পুরো দেবাদাস লাগছে। মনে হচ্ছে ছ্যাকা খেয়ে ব্যাকা হয়ে গেছো।"
"খেয়েছিই তো। যার প্রেমিকা তাকে ভুল বোঝা, সম্পর্কের ইতি টানে তার তো এরকম অবস্থা হবেই।"
"কি শুরু করলে দুজন? আমাকে কি পা*গ*ল বানিয়ে ফেলবে নাকি?"
"আমি কিছু করিনি। তোর বান্ধবীকে বল।"
দীর্ঘশ্বাস ফেলল আনহা। বলল,
"ওকে বলে লাভ নেই। ওর চিন্তা মাথা থেকে বের করে নিজেকে সামলে নাও। গুছিয়ে নেও নিজেকে। তোমাকে এভাবে দেখতে একদমই ভালো লাগছে না।"
"কিছু কি হয়েছে তোদের মাঝে? এভাবে বলছিস যে! মিষ্টি কিছু বলেছে?"
"যে বুঝেও না বোঝার ভান করে তাকে বোঝানো অসম্ভব। তাই বলছি নিজেকে আগের রূপে ফিরিয়ে আনো। এভাবে আর ভালো লাগছে না।"
"আমি শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করবো ওকে বোঝানোর। কতক্ষন না বুঝে থাকবে? ভুল যেহেতু করেছি তার মাসুল তো গুনতেই হবে তাই না?"
"তাই বলে এভাবে কতদিন? ওর মন গলবে বলে মনে হয়না।"
"প্রেমিকার মান ভাঙাতে না পারলে কেমন প্রেমিক হলাম? তু্ই চিন্তা করিস না। মিষ্টির রাগ ভাঙিয়েই ছাড়বো আমি।"
আনহা বিড়বিড় করে বলল,
"পারবে বলে মনে হয়না।"
তেহজীব শুনলো না আনহার কথা। আলগোছে উঠে দাঁড়ালো আনহা। বলল,
"যাই করো না কেন নিজেকে আগের রূপে ফিরিয়ে আনো। খালামনি জানলে কষ্ট পাবে।"
শুনলো তেহজীব তবে জবাব দিলো না। দরজার কাছে এগিয়ে গেল আনহা। রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পূর্বে বলল,
"বৃথা চেষ্টা করছো তুমি। তার চেয়ে ভালো ফিরে যাও। নিজের জীবন গুছিয়ে নাও।"
চকতে ফিরে তাকালো তেহজীব। আনহা ততোক্ষনের প্রস্থান করছে। তেহজীব বুঝলো না আনহার কথার মানে। তবে কি এভাবেই দুজনের পথ আলাদা হয়ে যাবে?
মাহমুদ, আনহা, ইশা, ফারিহা, মিষ্টি ঘুরতে এসেছে। মাহমুদ সবাইকে নিয়ে এসেছে তাদের বিয়ে উপলক্ষে ট্রিট দিতে। মিষ্টি আসতে যায় নি। তাকে এক প্রকার জোর করেই নিয়ে এসেছে। মাহমুদ সবাইকে রেস্টুরেন্টে নিয়ে এসেছে। রেস্টুরেন্টে ঢুকে যে যার মতো এদিক ওদিক চলে গেল। মাহমুদ, আনহা কোথায় যেন গেল। ইশা, ফারিহা দুজন ছুটেছে ছবি তোলার জন্য। অন্য সময় হলে ওদের আগে মিষ্টি ছুটতো। তা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। একা হয়ে পড়েছে মিষ্টি। তাই টেবিল থেকে উঠে গিয়ে রেস্টুরেন্টের একপাশে চলে এলো। এই দিকটা কেমন নীরব। তেমন মানুষ জন নেই। ইদানিং নীরবতাই ভালো লাগে মিষ্টির। তাই পরিবেশটা উপভোগ করতে লাগলো। হঠাৎ কেউ তার চোখ চেপে ধরলো। আচমকা আক্রমণে মিষ্টি ঘাবড়ে গেল। চোখ থেকে হাত সরানোর বৃথা চেষ্টা করতে করতে বলতে লাগলো,
"কে আপনি? চোখ ধরেছেন কেন?"
ঘাড়ের কাছে কারো তপ্ত শ্বাস পড়ছে। মিষ্টির ভয় বাড়ছে। নিজেকে নিজে বকতে শুরু করলো। কেন এসেছিলো সে এদিকে? ওপাশের মানুষটা জবাব দিলো না। উল্টো মিষ্টিকে নিয়ে হাঁটতে লাগলো সামনের দিকে। ভয় বাড়লো মিষ্টির। হাতের ওপর চাপর দিতে দিতে বলল,
"কি হলো উত্তর দিচ্ছেন না কেন? কে আপনি? কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন আমাকে?"

0 Comments