___ ইনায়া আবিরদের বাসার সামনে এসেছে এইমাত্র.... ফাইয়াজ ওকে এখানে নামিয়ে দিয়ে গেছে আর বলে গেছে সন্ধ্যায় এসে নিয়ে যাবে.... তবে আসার সময় ইনায়ার জন্য একটা স্মার্ট ফোন ও কিনে দিয়েছে.....ইনায়া ফাইয়াজ কে ভিতরে আসতে বলেছিলো কিন্তু ফাইয়াজের কাজ থাকায় আসে নি....ইনায়া জানে না বাসায় আদো কেউ আছে কিনা কারন আবির অসুস্থ সেখানেও সবাই যেতে পারে....ইনায়া কলিং বেল বাজায়....কয়েক সেকেন্ড পর আবার বাজায়...প্রায় এক মিনিট পর দরজা খুলে দেয় মিসেস মারিয়া।
____ মিসেস মারিয়া এই মুহূর্তে মেয়েকে এখানে দেখে অনেক টাই অবাক হয়ে যায় যেনো এটা তার কল্পনা....ইনায়া ওর আম্মু কে দেখে জরিয়ে ধরে.... মেয়েটা কতোদিন পর তার আম্মু কে কাছে পেলো....ইনায়া জরিয়ে ধরায় মিসেস মারিয়া বুঝলো এটা তার কল্পনা না সে ইনায়া কে বলে উঠে।
মিসেস মারিয়া.....আমি কি সত্যি দেখছি তুই এসেছিস এখানে নাকি এটা আমার কল্পনা।
ইনায়া..... আম্মু আমি সত্যি এসেছি... তোমাকে তো জরিয়ে ধরে আছি তারপর ও বুঝতে পারছো না।
মিসেস মারিয়া.....হ্যাঁ বুঝতে পেরেছি....আমি আমার মেয়ে টাকে অনেক মিস করেছি... জানিস আমি তো খুব শীঘ্রই ওই বাসায় যেতাম আমার মেয়েটার সাথে দেখা করতে।
ইনায়া....আর যেতে হবে না আম্মু আমি চলে এসেছি।
মিসেস মারিয়া.....ইনায়া ফাইয়াজ বাবা আসে নি তুই একা এসেছিল....?
____ ইনায়া এবার ওর আম্মু কে ছেড়ে দিয়ে ভিতরে ঢুকে আসে....আর ওর আম্মু দরজা টা লক করে দেয়.... মিসেস মারিয়া আবার বলে।
মিসেস মারিয়া.....কিরে মা কথা বলছিস না কেনো আবার ঝগড়া করে আসিস নি তো.... তুই এখানে এসেছিস সেটা ফাইয়াজ জানে তো..?
ইনায়া.....হ্যাঁ আম্মু সেই আমাকে এখানে দিয়ে গেছে....তার কাজ আছে বলে আসে নি... তবে সে আমাকে এসে আবার নিয়ে যাবে।
মিসেস মারিয়া.....যাবি কেনো এসেছিল যখন দুটো দিন থেকে যা।
ইনায়া.....না আম্মু ফাইয়াজ রাজি হবে না...সে রাগ করবে আর আমি তাকে রাগাতে চাই না....তার চেয়ে বরং মাঝে মাঝে এসে চলে যাবো।
মিসেস মারিয়া..... ফাইয়াজ কে অনেক ভালোবাসে ফেলেছিস বুঝি..?
ইনায়া..... আম্মু সে এমন একটা মানুষ যাকে না ভালোবাসে থাকা যায় না.....তার প্রতিটা কেয়ার তার আমার প্রতি নিক্ষুত ভালোবাসা যা আমাকে প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করছে.... আম্মু জানো আমি অনেক ভাগ্যবতী কারন আমি ফাইয়াজের মতোন একটা হাসবেন্ড পেয়েছি.....তার অফুরন্ত ভালোবাসা পেয়েছি...।
মিসেস মারিয়া...... দোয়া করি মা, আল্লাহ জেনো তোকে সর্ব সুখী করুক।
ইনায়া..... আম্মু বাসায় কেউ নেই..??
মিসেস মারিয়া.....কেনো তুই জানিস না আবির হসপিটালে ভর্তি..??
ইনায়া.....হ্যাঁ জানি.. ফাইয়াজদের বাসায় সামনে অসুস্থ হয়ে পরে ছিলো এরপর তারা তাকে হসপিটালে নিয়ে গেছে.....।
মিসেস মারিয়া.....তো ফাইয়াজের কাছে জিজ্ঞেস করিস নি.... আবিরের কি অবস্থা আর তোদের বাসায় সামনে গেলো কিভাবে..??
ইনায়া.....নাহ ইচ্ছে করে নি।
মিসেস মারিয়া..... আবিরের উপর রাগ করে আছিস।
ইনায়া.....সেটাই কি স্বাভাবিক নয় আম্মু.. আমার হয়তো কিছু মনে নাই কিন্তু আমি সব টা জানি আজ ফাইয়াজের এমন অসুস্থতা আবির ভাইয়ের জন্যই।
মিসেস মারিয়া.... হ্যাঁ তা জানি.... তবে আবির ছেলেটা খারাপ নয় ছোট থেকে ছেলেটা মায়ের ভালোবাসা পায় নি....বাবা যেমন ভাবে মানুষ করছে তেমন হয়েছে....আর এই কিছু দিন যাবত তো একদম পাগলের মতো করে ঠিক মতো খাবার খায় না ঘুমায় না.... সারাদিন রুমে থাকে...দিনে শুধু একবার বাসা থেকে বের হয়... আমার মনে হয় ছেলেটার কিছু একটা হয়েছে।
ইনায়া..... আচ্ছা কাকি মনি কি মারা গেছে..??
মিসেস মারিয়া.....সেটা তো জানি না।
ইনায়া..... আচ্ছা ওসব বাদ দেও.... ভাইয়া আব্বু কোথায় তাদের তো দেখছি না।
মিসেস মারিয়া..... তোর আব্বু হসপিটালে গেছিলো একটু আগে ফোন করছি সে বললো আসতে আছে......আর আহনাফ ওর রুম থেকে বের হচ্ছে না.... তুই জানিস আহনাফ.....
ইনায়া......ভাইয়া কি থেমে গেলে কেনো আম্মু.??
মিসেস মারিয়া.....ওসব বাদ দে তুই কেনো এলি সেটাই তো বললি না.... তুই এখানে বস আমি তোর জন্য কিছু খাবার নিয়ে আসছি।
ইনায়া.....আমার কাছ থেকে লুকিয়ে কোনো লাভ নেই আম্মু...আমি তো জানি তুমি কি লুকাচ্ছো।
মিসেস মারিয়া..... তুই কি জানিস.??
ইনায়া.....ভাইয়া ফাওজিয়া আপু কে ভালোবাসে.??
মিসেস মারিয়া....কে বলছে তোকে.??
ইনায়া......আপু বললো ভাইয়া নাকি প্রাপোজ করেছিলো।
মিসেস মারিয়া.....হ্যাঁ জানিস রে মা.... গতকাল তোর আব্বু সারা রাত ঘুমায় নি.... আহনাফ নেশা করে বাসায় ফিরেছে কান্না করতে করতে ঘুমিয়ে গেছে.... আমার সব কিছু এলোমেলো হয়ে গেলো রে মা।
ইনায়া...... আম্মু কান্না করো না সব ঠিক হয়ে যাবে....ভাইয়া কি ঘুম থেকে উঠেছে.??
মিসেস মারিয়া.....হয়তো কিন্তু কোনো কথা বলছে না রুম থেকে বের ও হচ্ছে না... আমার ছেলেটা ভালো নেই রে মা....ও গতকাল রাতে তোর আব্বুর পা ধরে কান্না করছে আমাকে বলছে ফাওজিয়া কে জেনো বুঝিয়ে বলি।
ইনায়া..... আম্মু কান্না করো না আমি ভাইয়ার সাথে কথা বলছি....আমি উপরে যাচ্ছি ভাইয়ার সাথে কথা বলতে।
____ আহনাফ ঘুম থেকে উঠেছে মাএ কিছুক্ষণ হলো..... কিন্তু দরজা খুলে বের হচ্ছে না... গতকালের সব কথা মনে আছে তাই ভীষন অপরাধ বোধ কাজ করতে....ও কিভাবে এমন করলো কিভাবে ওর আব্বুর উপর রাগ করলো....ও এখন কিভাবে ওর আব্বুর সামনে যাবে মাফ চাইবে..... আহনাফ ফ্লোরে বসে আছে.... এমন সময় ইনায়া বলে উঠলো।
ইনায়া..... ভাইয়া।
____ আহনাফ হঠাৎ ইনায়ার কথা শুনে অবাক,ইনায়া কখন এলো ও ঠিক আছে তো... আহনাফ উঠে দাঁড়ায় দরজার সামনে এগিয়ে যায় তখন আবার ইনায়া বলে।
ইনায়া......ভাইয়া আমি এসেছি দরজা খুলবি না।
____ আহনাফ দরজা খুলে ইনায়া কে দেখে তারপর দিকে ভালো করে তাকায় আর ইনায়ার চোখের কোনে পানি দেখে তখন আহনাফ ইনায়া কে জরিয়ে ধরে আর উদ্বিগ্ন হয়ে বলে।
আহনাফ.....বোন তুই কান্না করেছিস, কি হয়েছে বল আমায় ফাইয়াজ কিছু বলছে....??
ইনায়া..... ভাইয়া।
আহনাফ.....হ্যাঁ কলিজা বল আমায় কি হয়েছে তোর, কেনো কান্না করেছিস কিসের কষ্ট বল ভাইয়া কে.... ভাইয়া দেখবি সব ঠিক করে দিবে।
ইনায়া......ভাইয়া আমার কিছু হয় নি... তোমার কি হয়েছে এমন হয়ে গেছো কেনো..??
___ ইনায়ার এমন কথায় আহনাফ ইনায়া কে ছেড়ে দেয় আর হাসি দিয়ে বলে।
আহনাফ..... আমার কিছু হয় নি বোন,
ইনায়া..... তুমি ফাওজিয়া আপু কে ভালোবাসো..?
আহনাফ......কে বলছে তোকে..??
ইনায়া.... তুমি গতকাল ওদের অফিসে গেছিলে তারপর সবাই কে ফাওজিয়া আপুর হাসবেন্ড হয়ে পরিচয় দিছো.... সেটা ফাইয়াজ, আংকেল জানাতে ফাওজিয়া আপুকে জিজ্ঞেস করে তখন সে বলে।
আহনাফ.....ওহহ,,,,,,
ইনায়া..... ভালোবাসো.??
আহনাফ...... ভীষন ভালোবাসি, কিন্তু ও আমাকে ভালোবাসে না।
ইনায়া..... তুমি তাকে বুঝিয়ে বলো।
আহনাফ..... অনেক চেষ্টা করছি কিন্তু ও বুঝতে চায় না....ও অনেক জেদি।
ইনায়া.....হ্যাঁ তা তুমি ঠিক বলছো।
আহনাফ......বোন আমি ওকে ভীষন ভালোবাসে ফেলেছি....আমি ওকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারছি না... ওকে সেটা আমি বুঝতে পারছি না।
ইনায়া..... ভাইয়া তুমি কষ্ট পেও না আপু তোমার ভালোবাসা একদিন না একদিন ঠিক বুঝবে....দেখবে সেও সেদিন তোমাকে ভালোবাসবে।
আহনাফ...... সেদিন টা কবে আসবে, আমি তো এই টুকুতেই হাঁপিয়ে উঠেছি।
ইনায়া.....ভাইয়া তাহলে ফাইয়াজ এই তিন বছর কতোটা যন্তনা পেয়েছে..?
আহনাফ...... ওকে কখনো কষ্ট দিস না বোন....ও তোকে অনেক ভালোবাসে।
ইনায়া..... ভাইয়া আপু ডিভোর্স দিতে চায় তোমাকে।
আহনাফ.....কি বলছিস তুই এসব...ও এসব কখন বলছে।
____ ইনায়া গতকালের কথা সব আহনাফ কে খুলে বলে.... আহনাফের জেনো বুক টা দুমরে মুছরে যাচ্ছে....ওর হৃদ্বয়েশ্বরী ওর সাথে এটা কিভাবে করতে পারছে।
ইনায়া.....কি হলো ভাইয়া....কিছু তো একটা বলো।
আহনাফ......কি বলবো বোন...
_____যখন আমি তাকে নিয়ে সফল হওয়ার পথ খুঁজছিলাম....তখন সে আমাকে ছাড়ার পরিকল্পনা করতে ছিলো....কি ভয়ংকর পরিকল্পনা...তাই না বোন।
ইনায়া.....ভাইয়া তুমি কান্না করো না আমার তোমার কান্না দেখতে কষ্ট হচ্ছে....আমি আপু কে বুঝিয়ে বলবো....আর তাছাড়া আপু তোমার বউ হয় চাইলেই সে তোমাকে ডিভোর্স দিতে পারবে না।
আহনাফ....বোন তুই এতো চিন্তা করিস না.... তোকে এসব নিয়ে ভাবতে হবে না... শুধু শুধু কষ্ট পেতে হবে।
____ আহনাফ ইনায়া এসব বলে ও ওয়াশরুমে যেতে নেয়.... উদ্দেশ্যে ফ্রেশ হয়ে বের হবে বাহিরে... কিন্তু তখন মিস্টার আরমান এসে বলে।
মিস্টার আরমান..... আহনাফ তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে।
___ ইনায়া আহনাফ দুজনেই পিছন ফিরে তাকায়.... আহনাফের মাথা নিচু করে নিলো ইনায়া দৌড়ে ওর আব্বুর কাছে গিয়ে বলে।
ইনায়া..... আব্বু কেমন আছো তুমি.??
মিস্টার আরমান..... ভালো মা... তুমি কেমন আছো....কখন এলে।
মিসেস মারিয়া.....একটু আগে... তুমি কখন এলে।
মিস্টার আরমান..... সবেমাত্র...ইনায়া মা তুমি একা এসেছো ফাইয়াজ আসে নি।
ইনায়া.....না আব্বু সে আসে নি সে অফিস থেকে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যাবে।
মিস্টার আরমান..... আচ্ছা।
____ মিস্টার আরমান মেয়েকে এক হাতে জরিয়ে রুমের মধ্যে প্রবেশ করলো... মিসেস মারিয়া ও রুমের মধ্যে আসলো.... মিস্টার আরমান কিছু বলবে এর আগে আহনাফ বলে উঠে করুন সরে।
আহনাফ..... আব্বু আমাকে মাফ করে দেও এমন কেনো দিন হবে না...আমি নেশা করতে চাই নি কিন্তু নিজেকে আটকাতে ও পারি নাই।
মিস্টার আরমান..... তুমি ফাওজিয়া কে কিভাবে বিয়ে করছো..?
আহনাফ......কেনো আব্বু.??
মিস্টার আরমান.....যা জিজ্ঞেস করছি তাই বলো।
___ এরপর আহনাফ সব কিছু বলে, কিভাবে বিয়ে করছে কবে থেকে ওকে ভালোবাসেছে....সব কিছুই বলে...যা শুনে মিস্টার আরমান বলে।
মিস্টার আরমান..... তুমি কি ফাওজিয়ার সাথে সারাজীবন থাকতে চাও.??
আহনাফ.....হ্যাঁ আব্বু আমি ওকে অনেক ভালোবাসি....আমি ওকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারছি না।
মিস্টার আরমান....... তুমি জানো আবির আজ ওয়াছিকের বাসায় সামনে অসুস্থ হয়ে পরে ছিলো..এখন হসপিটালে ভর্তি...আমি আসার আগ পর্যন্ত জ্ঞান ফেরেনি।
আহনাফ.....আবির ওখানে কি করছিলো..?
মিস্টার আরমান..... তোমার মতোন আবির ও ফাওজিয়া কে ভালোবাসে.!
___ এমন একটা কথা কেউ শোনার জন্য প্রস্তুত ছিলো না....সবাই জেনো অবাকের শেষ পর্যায়ে...এটা কিভাবে সম্ভব...ইনায়া মুখ হা হয়ে গেলো.... আহনাফের মনে ফাওজিয়া কে হাড়ানোর ভয় কাজ করলো তার মানে ওকে রিজেক্ট করার কারন আবির ছিলো.... তাহলে ওর হৃদয়েশ্বরী অন্য কাউকে ভালোবেসে.... আহনাফ অনেক কষ্টে একটা কথা বলে।
আহনাফ.....এসব কি বলছো..?
মিস্টার আরমান.....যা বলছি সব সত্যি.... গতকাল রাতে আবির ফাওজিয়া কে দেখবে বলে সারারাত ঠান্ডায় বাহিরে দাঁড়িয়ে থাকে এরজন্য অসুস্থ হয়ে পরে।
আহনাফ.....হৃদয়েশ্বরী কি আবির কে ভালোবাসে আব্বু.??
মিস্টার আরমান.....না...কথা শুনে সেটাই মনে হয়েছে...আর ওই মেয়ে বাবা ভাইয়ের মতোই ডেঞ্জারাস... তোমার মতো একটা ছেলে ওই মেয়েকে কিভাবে ভালোবাসতে পারলে.??
আহনাফ.....আমি জানি না তবে ও যেমনি হোক না কেনো আমি আমার হৃদয়েশ্বরী কে অনেক ভালোবাসি।
মিস্টার আরমান.....আবির ও ফাওজিয়া কে প্রচন্ড ভালোবাসে.... এখানে আমার কিছুই বলার নেই... দুই ভাই এক মেয়ের পিছনে পরে আছো।
আহনাফ..... আবিরের পরে থাকাতে কিছু যা আসে না আব্বু কারন হৃদয়েশ্বরী আমার বিবাহিত স্ত্রী আব্বু...তাই আবিরের এখানে কিছু করার নেই।
ইনায়া.....হ্যাঁ সেটাই.... আবির ভাই কে নিয়ে এতো ভাবতে হবে না.... ভাইয়া আপু কে বিয়ে করছে তাই আপু শুধু মাএ আমার ভাইয়ার
আহনাফ..... আব্বু আমি চাই তুমি আগামীকাল ওদের বাসায় বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যাও।
মিস্টার আরমান.....সেটা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়...ভাইয়া কে না বলে।
ইনায়া..... আব্বু জীবনের সব কাজ তো কাকা কে জিজ্ঞেস করে কাকার মত মতো করলে....এই কাজ টা না হয় না জিজ্ঞেস করে, না মত নিয়ে করলে...ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে তার সুখের জন্য।
___ মিস্টার আরমান ইনায়ার এমন ইনায়ার দিকে তাকায়... মিস্টার আরমান কিছুক্ষণ ভেবে তারপর বললো।
মিস্টার আরমান.....ইনায়া তুমি তোমার শশুর বাড়িতে জানিয়ে দিও... আগামীকাল আমরা আসছি।
___ মিস্টার আরমানের মুখে এমন কথা শুনে... দুই ভাই বোন হেসে উঠলো দুই জনে জরিয়ে ধরলো বাবা কে... কিন্তু এতো খুশি তে খুশি হতে পারলো না মিসেস মারিয়া....সে মনে মনে বললো।
মিসেস মারিয়া..... আল্লাহ এ তুমি কি করলে.... এমন টা কি খুব হওয়া প্রয়োজন ছিলো.... ইকবাল ভাই এসব কিছুতেই মানবে না...তাকে আমি চিনি... আল্লাহ তুমি আমার ছেলেটাকে হেফাজত কইরো...তার ক্রোধের শিকার আমার ছেলেকে বানাইও না।

0 Comments